
ভাষা টিভি ডেস্কঃ দেশের বিভিন্ন নদী ও জলাশয়ের মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে বলে সাম্প্রতিক কয়েকটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে। শুধু মাছের পাকস্থলী বা পরিপাকতন্ত্রেই নয়, মাছের মাংসপেশিতেও অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।
পর্যবেক্ষণে কই, বাটা, মেনি, গুলশা টেংরা এবং পুঁটি এই পাঁচটি প্রজাতির মাছে সবচেয়ে বেশি মাইক্রো প্লাস্টিক পাওয়ার তথ্য উঠে আসে।
মাইক্রোপ্লাস্টিক হলো প্লাস্টিকের এমন যে-কোনো কণা, যার প্রস্থ পাঁচ মিলিমিটারেরও কম।
বড় প্লাস্টিক ভেঙে, সিনথেটিক কাপড়ের তন্তু, টায়ারের ক্ষয়, প্রসাধনী বা শিল্পবর্জ্য থেকে এসব কণা তৈরি হয়ে নদী, খাল, হ্রদ ও সাগরে পৌঁছে যায়। সেখান থেকে খাদ্য ও পানির মাধ্যমে এগুলো মাছের শরীরে প্রবেশ করে।
গবেষকরা বলছেন, অনেক ক্ষেত্রে মাইক্রোপ্লাস্টিক মাছের পরিপাকতন্ত্রেই সীমাবদ্ধ থাকে। তবে সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় মাছের মাংসপেশিতেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়ায় বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে, কারণ মানুষ মাছের এই অংশটিই মূলত খায়।
তবে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি মানেই যে তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হবে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছাননি গবেষকরা। মানুষের শরীরে দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব, কী পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক ক্ষতিকর এবং কীভাবে ঝুঁকি তৈরি হয়, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে এখনো গবেষণা।
Leave a Reply