কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি। কক্সবাজার শহরের কলাতলী বাইপাস এলাকায় দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে প্রকাশ্যে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে ঝিলংজা ইউনিয়নের উত্তরণ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর থেকে অপহৃত ছাত্রীর কোনো সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
অপহৃত শিক্ষার্থীর নাম আফরিন সুলতানা সাইমা (১৬)। সে স্থানীয় নতুন জেল গেট এলাকার মো. শাহাব উদ্দিনের মেয়ে এবং উত্তরণ মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০ম শ্রেণির ছাত্রী।
পারিবারিক ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে সাইমা তার ছোট ভাই সোহরাব হোসাইন (১৪) ও সহপাঠী তানিম ছিদ্দিকা মমি সহ স্কুলে প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিল। স্কুল গেটের কাছাকাছি পৌঁছামাত্র পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা মো. রাশেদ (২৪) ও তার ৪-৫ জন সহযোগী তাদের পথরোধ করে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই সন্ত্রাসীরা সাইমাকে জোরপূর্বক একটি নম্বরবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেয়।
এ সময় সাইমার ছোট ভাই ও সহপাঠী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে অপহরণকারীরা তাদের অস্ত্র প্রদর্শন করে ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন
মামলার প্রধান অভিযুক্ত মো. রাশেদ জেল গেইট এলাকার মোহাম্মদ রফিকের ছেলে। সে বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবারের আত্মীয় সুলতান আহমেদের জায়গায় পাহারাদার হিসেবে সপরিবারে বসবাস করছিল। মামলার অন্য আসামিরা হলো—রাশেদের বাবা, মা এবং তার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জন।
ভুক্তভোগীর বাবা মো. শাহাব উদ্দিন জানান, রাশেদ দীর্ঘদিন ধরে সাইমাকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্যক্ত করে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বে সামাজিকভাবে মৌখিক সমাধান করা হলেও রাশেদ তা শোনেনি।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে যে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ও যৌন লালসা চরিতার্থ করতে এই অপহরণের ঘটনা ঘটিয়েছে।
এমতাবস্থায় অপহৃত ছাত্রী ও অপহরণ কারীকে দেখলে তার পরিবারকে খবর দেওয়ার অনুরোধ ভুক্তভোগী বাবার। সন্ধান দাতাকে দেওয়া হবে উপযুক্ত পুরস্কার। যোগাযোগ মোবাইল :+880 1835-008917
Leave a Reply