ভাষা টিভি ডেস্ক: সম্প্রতি সাংবাদিক পরিচয়ে পরিচালিত একটি ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক পোস্টে বেক্সিমকো গ্রুপের মানিলন্ডারিং মামলাসমূহে সিআইডি কর্তৃক দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদন সংক্রান্তে বিভ্রান্তিকর, অসত্য ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের বিষয়টি সিআইডির দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
বেক্সিমকো গ্রুপের কর্ণধার সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানির আড়ালে প্রায় ৯৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থপাচারের অভিযোগে দায়েরকৃত ১৭টি মামলার তদন্ত কার্যক্রম দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করে সিআইডি প্রতিটি মামলায় সালমান এফ রহমানসহ মোট ২৮ জনকে অভিযুক্ত করে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। বর্তমানে বিজ্ঞ আদালতে ১৭ টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
তদন্তকালে অভিযুক্তদের বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি শনাক্ত করে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ক্রোক করা হয়। ক্রোককৃত সম্পদের মধ্যে রয়েছে প্রায় ৫,৮১৭.৫১৯ শতাংশ স্থাবর সম্পত্তি, ঢাকার গুলশান-২ এলাকায় দুটি ফ্ল্যাট, ধানমন্ডিতে একটি ১৫ তলা ভবন, দুটি ৪ তলা ভবন এবং দুটি ৩ তলা ভবন।
উল্লেখ্য, বিগত সরকারের আমলে বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগে আলোচিত শীর্ষ ১১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গৃহীত তদন্তসমূহের মধ্যে বেক্সিমকো গ্রুপের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সিআইডিই সর্বপ্রথম তদন্ত সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। সিআইডির এরূপ অনবদ্য অর্জন নিয়ে অপতথ্য ছড়ালে সিআইডি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ উদঘাটনে দ্বিধাগ্রস্ত হবে এবং প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক সক্ষমতা নষ্ট হবে।
সিআইডি থেকে বলা হয়, অযাচাইকৃত অপতথ্য প্রচার না করে পুলিশের ভাল কাজকে উৎসাহিত করা একান্তভাবে কাম্য।